গণবিজ্ঞপ্তির ফল প্রকাশ নিয়ে দুঃসংবাদ

বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) আদালতের রায়ের বিপক্ষে নতুন করে আপিল করার সিদ্ধান্ত নেয়ায় পেছাতে পারে ১ থেকে ১২তম নিয়োগ প্রত্যাশীদের ফল প্রকাশ। ফলে এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৫৪ হাজার শিক্ষক নিয়োগ ও ফল প্রকাশে আবারো জটিলতা দেখা দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার এনটিআরসিএর একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে এমন তথ্য জানা গেছে।

এনটিআরসিএর একাধিক কর্মকর্তা জানান, ২০১৭ সালে এনটিআরসিএর নিয়োগের বিষয়ে আদালত রায় দিয়েছিল। সেই রায়ে জাতীয় মেধার ভিত্তিতে নিয়োগের কথা বলা হয়েছিল। সে অনুযায়ীই নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে। ফলে আদালত অবমাননার যে অভিযোগ করা হয়েছে সেটি ঠিক নয়।

তারা আরো বলেন, ১ থেকে ১২তম নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রায় আড়াই হাজার প্রার্থীকে নিয়োগের যে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে তার বিরুদ্ধে আপিল করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এর ফলে গণবিজ্ঞপ্তির রেজাল্ট প্রকাশের কাজ পিছিয়ে যাবে। আপিলের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত রেজাল্ট প্রকাশ করা সম্ভব হবে না। সর্বশেষ আপিলের কাগজপত্র প্রস্তুত করে ফেলেছে কর্তৃপক্ষ।

তবে এ বিষয়ে উচ্চ আদালতের আইনজীবী সিদ্দিক উল্লাহ মিয়া বাংলাদেশ জার্নালকে বলেন, এনটিআরসিএ কিসের বিরুদ্ধে আপিল করছে সেটি আগে জানতে হবে। এক্ষেত্রে আপিল করলেই সে নিয়োগ কার্যক্রম বন্ধ হবে বিষয়টি এমন নয়। আদালত যদি আপিল গ্রহণ করে তখন প্রক্রিয়াটি ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে। এর মানে এই নয় যে ফল প্রকাশ ও নিয়োগ কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাবে।

এদিকে ফল প্রকাশ না হওয়ায় আজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ইস্কাটনের এনটিআরসিএ ভবনের সামনে জড়ো হয়েছে নিয়োগ প্রত্যাশীরা। এ বিষয়ে এনটিআরসিএ কর্তৃপক্ষের কাছে স্মারক লিপি প্রদানও করেছেন তারা। তবে ফল প্রকাশে সময় লাগছে দেখে অসংখ্য নিয়োগ প্রত্যাশী হতাশা প্রকাশ করেন।

এ বিষয়ে ১৩তম নিয়োগ প্রত্যাশী হুমায়ুন কবির বাংলাদেশ জার্নালকে বলেন, ‘বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ রায়ের কপি হাতে পাওয়ার পর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ফল প্রকাশের ঘোষণা দিয়েছিলো। অথচ তা আজো বাস্তবায়িত হয়নি। অ্যাটর্নি জেনারেলের মতামত পরবর্তী ফল ঘোষণার কথা থাকলেও সে বিষয়ে এখন কোনো কথা বলছেন না কর্তৃপক্ষ।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *